← জাপানের ভিসা

জাপান ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি

২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে জাপান স্থায়ী বসবাস বাতিল করতে পারবে

2027-04-01

২০২৪ সালের অভিবাসন আইন সংশোধনে স্থায়ী বসবাস বাতিলের কারণ যুক্ত হয়েছে, যা ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: এটি কেবল নতুন আবেদনকারীদের নয়, যাঁরা আগে থেকেই স্থায়ী বসবাস পেয়েছেন তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। প্রধান কারণগুলো হলো ইচ্ছাকৃতভাবে কর ও সরকারি চার্জ (স্বাস্থ্যবিমা, পেনশন) পরিশোধ না করা, অভিবাসন আইনের বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন, বা নির্দিষ্ট মাত্রার সাজা পাওয়া।

কার্যকর

১ এপ্রিল ২০২৭

কাদের জন্য

বর্তমান স্থায়ী বাসিন্দাদেরও

ভিত্তি

২০২৪ অভিবাসন আইন সংশোধন

কাদের খেয়াল রাখা দরকার

  • যাঁরা আবাসিক কর, জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা বা জাতীয় পেনশন দিতে দেরি করেছেন বা দেননি।
  • যাঁরা স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করবেন — পরিশোধের রেকর্ড আগের চেয়ে কড়াভাবে দেখা হয়।
  • স্বনিযুক্ত ও ফ্রিল্যান্স কর্মীরা, কারণ এগুলো কোম্পানি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাটে না।

এখন যা করবেন

  • আগের বছরসহ কোনো কর, বিমা বা পেনশন বাকি আছে কি না দেখে নিন।
  • বাকি থাকলে সিটি অফিসে যোগাযোগ করে কিস্তির ব্যবস্থা করুন — পরিশোধের ইচ্ছা দেখানোটাই মুখ্য, তাগাদা জমতে দেওয়া নয়।
  • একবার দেরি করে পরে শোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হয় না। ঝুঁকি হলো দীর্ঘদিন তাগাদা উপেক্ষা করা।
  • রসিদ ও পরিশোধের সনদ সংরক্ষণ করুন।
ভিসা, কর ও বিমা নিয়ে বিনামূল্যে জিজ্ঞাসা করুন — সরকারি সূত্রসহ উত্তর
AI · Free

জাপানে বেশি বেতনের চাকরি চান?

AI দিয়ে জাপানি সিভি (履歴書) তৈরি করুন — বিনামূল্যে, ৩ মিনিট। পছন্দের চাকরির বিবরণ পেস্ট করে ম্যাচ স্কোর নিন।

বিনামূল্যে CV বানান

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমার তো আগেই স্থায়ী বসবাস আছে — আমার ক্ষেত্রেও কি প্রযোজ্য?

হ্যাঁ। বাতিলের নিয়ম আগে স্থায়ী বসবাস পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, কেবল নতুন আবেদনকারীদের নয়।

এক মাসের বিমা ভুলে গেলে কি স্থায়ী বসবাস চলে যাবে?

একবারের দেরি পরে শোধ করলে বাতিল হয় না। তাগাদা বারবার উপেক্ষা করলে ও পরিশোধের ইচ্ছা নেই মনে হলে ঝুঁকি বাড়ে।

কবে থেকে শুরু?

২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে, ২০২৪ সালে পাস হওয়া সংশোধিত অভিবাসন আইন অনুযায়ী।

সূত্র: জাপান ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি (出入国在留管理庁) · moj.go.jp/isa/05_00045.html