কফির দাম ৩৭%, কিন্তু জাপানের মুদ্রাস্ফীতি নাকি কমছে?
আপনার লাঞ্চ বক্সের বেন্টোর দাম বেড়েছে ১১.৪%, চকোলেটের দাম ২৫.৮%, কিন্তু সরকার বলছে মুদ্রাস্ফীতি কম।
কী হচ্ছে এসব?
সরকারিভাবে, জাপানের মুদ্রাস্ফীতি নাকি বেশ স্থিতিশীল। মে মাসে মাত্র ১.৪% বেড়েছে।
এটা টানা চতুর্থ মাস যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ব্যাংক অফ জাপানের ২% লক্ষ্যের নিচে রয়েছে। শুনে তো ভালোই লাগে, তাই না?
আসল কারণ হলো সরকারি ভর্তুকি। গ্যাসোলিনের দাম এবং শিক্ষার খরচ কমানোর জন্য সরকার টাকা দিচ্ছে, তাই কাগজে-কলমে মোট মুদ্রাস্ফীতির হার কম দেখাচ্ছে।
কিন্তু আমার পকেট খালি কেন?
কিন্তু আপনি যখন কনবিনিতে যান, তখন কি আপনারও মনে হয় কিছু একটা গড়বড় আছে? আমার তো হয়।
কারণ খাবারের দাম মোটেই কমেনি। তাজা খাবার বাদ দিয়েও, অন্যান্য খাবারের দাম গত বছরের তুলনায় ৩.৫% বেড়েছে।
আর কিছু জিনিসের দাম তো আকাশ ছুঁয়েছে। কফি বিনসের দাম বেড়েছে ৩৭.৯%। চকোলেট ২৫.৮%। আর আমাদের প্রতিদিনের লাঞ্চ বেন্টো? ১১.৪% বেশি দামি। 🍱
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে প্যাকেজিং উপকরণের দাম বাড়ছে, আর কোম্পানিগুলো সেই খরচ সোজা আমাদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। মানে, আপনার বেন্টো বক্সের প্লাস্টিকের দামও আপনিই দিচ্ছেন।
তাহলে সংখ্যাটা কি একটা বিভ্রান্তি?
তাহলে এই ১.৪% সংখ্যাটা কি আসলে একটা বিভ্রান্তি? একদিক থেকে দেখলে, সরকারি ভর্তুকি ছাড়া এই সংখ্যাটা আরও বেশি হতো।
কিন্তু এই গড় হিসাবটা আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার আসল চিত্রটা লুকিয়ে ফেলছে। বিশেষ করে আমাদের মতো প্রবাসী কর্মীদের জন্য, যাদের খরচের একটা বড় অংশই যায় খাওয়া আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসে।
সরকার বলছে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে, কিন্তু মাসের শেষে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কি তাই মনে হয়?

Sign in to keep your name & data