বাদাম ও মাংস কি মস্তিষ্ক নষ্ট করে?
স্বাস্থ্যকর ভেবে যে বাদাম আর পনির খাচ্ছিলাম, জাপানি ডাক্তার বলছেন ওগুলোই নাকি বার্ধক্য ডেকে আনছে।
কী সর্বনাশ!
আমি তো এতদিন জানতাম, চিপসের বদলে বাদাম খাওয়া ভালো। কাজের মাঝে খিদে পেলে পনিরের টুকরো মুখে দেওয়া তো স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। কিন্তু জাপানের এক ডাক্তার বলছেন, এই অভ্যাসই নাকি শরীরের ভেতরে প্রদাহ তৈরি করে, এমনকি আলঝেইমার্সের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। বাদাম দিনে মাত্র ৩০ গ্রামের বেশি খাওয়া নাকি ঠিক না। ৩০ গ্রাম মানে সাকুল্যে এক মুঠো। ওইটুকু খেয়ে কি মন ভরে, না পেট?
এইসব বাদাম আর পনির নাকি মাসে একবার, জীবনের আনন্দ হিসেবে খাওয়ার জিনিস। প্রতিদিনের জন্য নয়। ভাবা যায়? 🥲
জাপানের দামি মাংসের কী হবে?
এখানেই শেষ নয়। জাপানের গর্ব, শিমোফুরি নিঁকু (霜降り肉) বা সেই চর্বিযুক্ত নরম মাংস, যা আমরা ইয়াকিনিকু রেস্তোরাঁয় গিয়ে অনেক টাকা খরচ করে খাই, সেটাও নাকি বিপজ্জনক। অতিরিক্ত চর্বি সেই একই সমস্যা তৈরি করে। ডাক্তার বলছেন, পশ্চিমে নাকি সবাই কম চর্বিযুক্ত লাল মাংস খায়, আর এই চর্বিওয়ালা মাংসকে দামি ভাবাটা নাকি শুধু জাপানেরই ধারণা।
এর সাথে আবার আছে ইয়াকিনিকু সস। ওটার মধ্যে নাকি অনেকটা চিনি থাকে। মানে, চর্বি আর চিনি একসাথে শরীরে গিয়ে যা করার, তা-ই করে। এতদিন ধরে এত শখ করে যা খেলাম, সব জলে গেল।
সকালের সসেজ-হ্যামও বাদ?
সকালের নাস্তার জন্য কনবিনি থেকে যে বেকন, হ্যাম বা সসেজ কেনা হয়, সেগুলোও নাকি তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। প্রক্রিয়াজাত মাংস হওয়ার কারণে এগুলোতে লবণ আর চর্বি দুটোই বেশি থাকে। এগুলো নাকি শরীরের জন্য আরও খারাপ।
তাহলে এখন থেকে খাবোটা কী? সব ভালো জিনিসই যদি খারাপ হয়, তাহলে আর জাপানে থেকে লাভটা কী হলো! 🤔

Sign in to keep your name & data